• Para/Juzz 30 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ৩০ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ৩০ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা নাবা দিয়ে এবং শেষ হয়েছে সূরা নাস। এই পারায় কিয়ামত, আল্লাহর শক্তি, মানুষের সতর্কতা এবং ইমানদারদের জন্য আশ্বাস তুলে ধরা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • কিয়ামতের দিন এবং মানুষের পূর্ণ হিসাব
    • জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
    • মানুষের সৃষ্টির উদ্দেশ্য এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য
    • মানুষের পাপ ও শয়তানের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার শিক্ষা

    সূরা নাবাসূরা নাজিয়াত এ কিয়ামতের ভয়াবহতা এবং মানুষের পুনরুত্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    সূরা আবাসা এ ব্যবসায়ী ও সমৃদ্ধদের সতর্ক করা হয়েছে যাতে তারা দারিদ্র ও দরিদ্রদের প্রতি উদার ও ন্যায়পরায়ণ থাকে।

    সূরা তাহা থেকে সূরা আছ-ছেলাশা/ফালাক পর্যন্ত মানুষের নৈতিক দায়িত্ব, শয়তানের প্রলোভন থেকে রক্ষা এবং আল্লাহর আশ্রয় নেওয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

    শেষে সূরা নাস এ মানুষকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা শয়তানের প্রলোভন থেকে রক্ষা পায়।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    কিয়ামতের কথা মনে রাখা, আল্লাহর উপর ভরসা রাখা, শয়তানের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকা, এবং সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবন যাপন করা।

    Afficher plus Afficher moins
    50 min
  • Para/Juzz 29 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৯ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৯ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা মুলক দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা কলম, সূরা হাক্কাহ, সূরা মাআরিজ, সূরা নূহ, সূরা জিন, সূরা মুজ্জাম্মিল, সূরা মুদ্দাসসির, সূরা কিয়ামাহ, সূরা ইনসান এবং সূরা মুরসালাত। এই পারায় মূলত কিয়ামত, মানুষের জবাবদিহি, নবীদের দাওয়াত এবং মানুষের জন্য সতর্কবার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • আল্লাহর অসীম ক্ষমতা এবং সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা করার আহ্বান
    • কিয়ামতের দিন ও মানুষের হিসাব
    • নবীদের মাধ্যমে মানুষকে সত্যের পথে ডাকার শিক্ষা
    • ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের ভিন্ন পরিণতি

    সূরা মুলক এ আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির নিদর্শনের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষকে চিন্তা করতে বলা হয়েছে।

    সূরা কলম এ নবী মুহাম্মদ ﷺ এর চরিত্রের প্রশংসা করা হয়েছে এবং সত্য অস্বীকারকারীদের সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।

    সূরা হাক্কাহসূরা মাআরিজ এ কিয়ামতের দিনের ভয়াবহতা এবং মানুষের জবাবদিহির কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

    সূরা নূহ এ হযরত নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে দীর্ঘ সময় ধরে আল্লাহর পথে ডাক দিয়েছিলেন — সেই ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    সূরা জিন এ কিছু জিন কুরআন শুনে ঈমান গ্রহণ করার ঘটনার কথা বলা হয়েছে।

    সূরা মুজ্জাম্মিলসূরা মুদ্দাসসির এ নবী মুহাম্মদ ﷺ কে আল্লাহর বাণী প্রচার করার দায়িত্ব এবং ইবাদতের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    পারা ২৯ এর শেষ অংশে কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহর শক্তি ও কিয়ামতের কথা মনে রাখা, নবীদের দাওয়াত থেকে শিক্ষা নেওয়া, এবং ঈমান ও সৎকর্মের মাধ্যমে সঠিক পথে চলা।

    Afficher plus Afficher moins
    57 min
  • Para/Juzz 28 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৮ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৮ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা মুজাদিলা দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা হাশর, সূরা মুমতাহিনা, সূরা সাফ এবং সূরা জুমুআহ। এই পারায় মুসলমানদের সামাজিক জীবন, আল্লাহর পথে আনুগত্য, এবং মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন — এই সত্যের স্মরণ
    • মুমিনদের মধ্যে সঠিক সামাজিক আচরণ
    • মুনাফিকদের আচরণ থেকে সতর্ক হওয়ার শিক্ষা
    • আল্লাহর পথে একতা ও দৃঢ়তার গুরুত্ব

    সূরা মুজাদিলা তে একজন নারীর অভিযোগ আল্লাহ কীভাবে শুনেছেন তার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে গোপন পরামর্শ, মুনাফিকদের আচরণ এবং আল্লাহর সর্বজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে।

    সূরা হাশর এ বনু নযীর ইহুদিদের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে এবং মুসলমানদের ঐক্য ও আল্লাহর উপর ভরসার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই সূরার শেষ অংশে আল্লাহর অনেক সুন্দর নাম ও গুণাবলি উল্লেখ করা হয়েছে।

    সূরা মুমতাহিনা তে মুসলমানদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে কাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা উচিত এবং কাদের সঙ্গে সতর্ক থাকা দরকার, বিশেষ করে যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরোধিতা করে।

    সূরা সাফ এ আল্লাহর পথে একসাথে দাঁড়ানো এবং সত্যের জন্য সংগ্রাম করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এখানে ঈসা (আ.) এর দাওয়াতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    পারা ২৮ এর শেষ অংশে সূরা জুমুআহ রয়েছে, যেখানে জুমার নামাজের গুরুত্ব এবং আল্লাহকে স্মরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহ সবকিছু জানেন এই বিশ্বাস রাখা, মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা, এবং আল্লাহর পথে দৃঢ়ভাবে চলা।

    Afficher plus Afficher moins
    49 min
  • Para/Juzz 27 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৭ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৭ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা যারিয়াত এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা তূর, সূরা নাজম, সূরা ক্বামার এবং সূরা রহমান। এই পারায় কিয়ামত, আল্লাহর শক্তি, মানুষের জন্য সতর্কবার্তা এবং আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • কিয়ামতের দিন এবং মানুষের জবাবদিহি
    • আল্লাহর শক্তি ও সৃষ্টির বিভিন্ন নিদর্শন
    • পূর্ববর্তী জাতিদের ধ্বংসের ঘটনা থেকে শিক্ষা
    • জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা

    এরপর সূরা তূর এ কিয়ামতের ভয়াবহতা এবং অবিশ্বাসীদের পরিণতির কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

    সূরা নাজম এ নবী মুহাম্মদ ﷺ এর প্রতি নাজিল হওয়া ওহীর সত্যতা এবং আল্লাহর মহিমা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মানুষের ভুল বিশ্বাস ও মিথ্যা উপাসনার সমালোচনা করা হয়েছে।

    সূরা ক্বামার এ অতীতের বিভিন্ন জাতির ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন নূহ (আ.), আদ, সামুদ এবং লুত (আ.) এর জাতি। তাদের অবাধ্যতার কারণে কীভাবে ধ্বংস নেমে এসেছিল তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এরপর সূরা রহমান এ আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের কথা বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষ ও জিনদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে: “তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামত অস্বীকার করবে?”

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহর নিয়ামত স্মরণ রাখা, কিয়ামতের দিনের কথা মনে রাখা, এবং সত্যের পথে দৃঢ়ভাবে চলা।

    Afficher plus Afficher moins
    52 min
  • Para/Juzz 26 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৬ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৬ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা আহকাফ এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা মুহাম্মদ, সূরা ফাতহ, সূরা হুজুরাত এবং সূরা ক্বাফ এর প্রথম অংশ। এই পারায় ঈমান, জিহাদ, মুসলমানদের পারস্পরিক আচরণ এবং কিয়ামতের স্মরণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের ভিন্ন পরিণতির কথা
    • আল্লাহর পথে সংগ্রাম করার গুরুত্ব
    • মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও শিষ্টাচারের শিক্ষা
    • কিয়ামতের দিন পুনরুত্থান ও হিসাব

    এরপর সূরা মুহাম্মদ এ বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর পথে ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের আমল কবুল করেন। আর যারা সত্যকে অস্বীকার করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন পরিণতি।

    সূরা ফাতহ এ হুদাইবিয়ার সন্ধিকে একটি মহান বিজয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে ঈমানদারদের জন্য সুসংবাদ এবং নবী মুহাম্মদ ﷺ এর মর্যাদার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    সূরা হুজুরাত এ মুসলমানদের সামাজিক আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখানে পরস্পরের প্রতি সম্মান, গীবত ও অপবাদ থেকে দূরে থাকা এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

    পারা ২৬ এর শেষ অংশে সূরা ক্বাফ এর শুরু রয়েছে, যেখানে কিয়ামতের দিন, মানুষের পুনরুত্থান এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    ঈমান দৃঢ় রাখা, মুসলমানদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা, এবং আল্লাহর সামনে জবাবদিহির কথা স্মরণ রেখে জীবন পরিচালনা করা।

    Afficher plus Afficher moins
    50 min
  • Para/Juzz 25 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৫ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৫ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা ফুসসিলাত এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা শুরা, সূরা যুখরুফ এবং সূরা দুখান। এই পারায় আল্লাহর একত্ববাদ, ওহীর সত্যতা, নবীদের দাওয়াত এবং মানুষের জন্য শিক্ষা ও সতর্কবার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • আল্লাহর দিকে মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার গুরুত্ব
    • সৎকর্ম ও উত্তম আচরণের শিক্ষা
    • অহংকার ও দুনিয়ার মোহ থেকে সাবধান হওয়ার নির্দেশ
    • কিয়ামতের দিন মানুষের জবাবদিহি

    এরপর সূরা শুরা তে আল্লাহর ওহী, পরামর্শের গুরুত্ব এবং ঈমানদারদের গুণাবলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, মুমিনরা আল্লাহর উপর ভরসা করে, নামাজ কায়েম করে এবং নিজেদের কাজ পরামর্শের মাধ্যমে সম্পন্ন করে।

    সূরা যুখরুফ এ দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার মোহে পড়ে সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতার কথা বলা হয়েছে। এখানে ফেরাউন ও তার জাতির ঘটনা উল্লেখ করে মানুষকে অহংকার থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

    সূরা দুখান এ কুরআনের মহত্ব, কিয়ামতের দিন এবং অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করা, দুনিয়ার মোহে পড়ে সত্যকে অস্বীকার না করা, এবং ঈমান ও সৎকর্মের মাধ্যমে সফলতার পথে চলা।

    Afficher plus Afficher moins
    48 min
  • Para/Juzz 24 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৪ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৪ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা যুমার এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা গাফির (মুমিন) এবং সূরা হা-মীম সাজদাহ (ফুসসিলাত) এর প্রথম অংশ। এই পারায় আল্লাহর একত্ববাদ, তাওবা, কিয়ামতের হিসাব এবং সত্যকে গ্রহণ করার আহ্বান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবা করার আহ্বান
    • কিয়ামতের দিন মানুষের বিচার এবং পরিণতির কথা
    • ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের ভিন্ন পরিণতি
    • আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতার বিভিন্ন নিদর্শন

    এরপর সূরা গাফির এ ফেরাউনের দরবারে একজন ঈমানদার ব্যক্তির সাহসী বক্তব্যের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেন এবং কিয়ামতের শাস্তির ব্যাপারে সতর্ক করেন। এখানে আল্লাহর ক্ষমা ও দয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    সূরা ফুসসিলাত এর শুরুতে কুরআনের সত্যতা, আল্লাহর সৃষ্টির নিদর্শন এবং মানুষের জন্য সঠিক পথ গ্রহণ করার আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর দিকে ডাকে এবং সৎকর্ম করে, তারা উত্তম পথের অনুসারী।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, অহংকার ছেড়ে সত্যকে গ্রহণ করা, এবং কিয়ামতের দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখা।

    Afficher plus Afficher moins
    16 min
  • Para/Juzz 23 - Quran: Only Bangla Translation
    Mar 6 2026

    পারা ২৩ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    কুরআনের ২৩ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা ইয়াসিন এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা সাফফাত এবং সূরা সাদ এর প্রথম অংশ। এই পারায় তাওহিদ, কিয়ামত, নবীদের দাওয়াত এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

    এই পারার প্রধান বিষয়গুলো:

    • কিয়ামতের দিন মানুষের পুনরুত্থান এবং হিসাবের কথা
    • জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
    • আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে চিন্তা করার আহ্বান
    • মানুষের জন্য সত্য পথ গ্রহণ করার উপদেশ

    এরপর সূরা সাফফাত এ বিভিন্ন নবীর জীবনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে হযরত নূহ (আ.), হযরত ইবরাহিম (আ.), হযরত ইসমাইল (আ.), হযরত মূসা (আ.), হযরত হারুন (আ.), হযরত ইলিয়াস (আ.) এবং হযরত ইউনুস (আ.) এর দাওয়াত ও আল্লাহর প্রতি তাদের দৃঢ় ঈমানের কথা বলা হয়েছে। হযরত ইবরাহিম (আ.) এর মহান কোরবানির ঘটনাও এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এরপর সূরা সাদ এর শুরুতে নবী দাউদ (আ.) এর জীবনের কিছু ঘটনা এবং ন্যায়বিচারের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি শয়তান ইবলিসের অহংকার এবং আদম (আ.) কে সেজদা করতে অস্বীকার করার ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এই পারা আমাদের শেখায়:
    আল্লাহর উপর দৃঢ় ঈমান রাখা, নবীদের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া, এবং অহংকার থেকে দূরে থেকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা।

    Afficher plus Afficher moins
    53 min